১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। হাজার বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে বিশ্বের মানচিত্রে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। পূথিবীর সৌভাগ্যবান জাতিগুলো যারা নিজেদের স্বাধীন সার্বভৌম দেশে বাস করে এবং পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ নয় তাদের মতো আমরাও একটি গর্বিত জাতি হিসেবে একটি স্বাধীন জাতিসত্ত্বার পরিচয় পেয়েছিলাম। দীর্ঘ নয় মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পর এই দিনটি ছিল বাঙালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে আনন্দের দিন। সমগ্র বাংলাভাষী মানুষ যেন অধীর আগ্রহে এই দিনটির অপেক্ষায় অধীর ছিল।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বে নেতৃত্বদানের এই একক কৃতিত্ব জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী ছিলেন। এজন্য অপশক্তি, স্বাধীনতাবিরোধীরা বলে থাকে মুজিব মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেননি এবং স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। বাংলাদেশের জনগণের বেশ বড় একটা অংশ স্বাধীনতাবিরোধীদের আরও অনেক মিথ্যা অপপ্রচারের সাথে এটিও বিশ্বাস করেছে। কিন্তু প্রকৃত সত্য হল মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং সমগ্র মুক্তিযুদ্ধ চলেছিল তাঁরই নামে।
বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ নামটির সাথে আষ্ট্রেপিষ্ঠ্রে জডিয়ে আছেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের আগে থেকে তিনি রাজনীতি করেছেন এবং পুরো পাকিস্তান আমলে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের উপর বিভিন্ন শোষণ, নির্যাতন, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন এসবের বিরুদ্ধে রাজনীতি করেছেন। তাঁর জীবনের অনেকটা সময় তিনি কারাগারে অতিবাহিত করেছেন। জনগণের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে তাঁর সংগ্রাম সব সময় অব্যাহত ছিল। আইয়ুবের মত লৌহমানবও তাঁর কাছে পরাজয় মেনে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিল।
১৯৭০ সালের সাধারন নির্বাচনের সময় বঙ্গবন্ধু ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের সাড়ে সাত কোটি মানুষের ইচ্ছা এবং আকাংখার প্রতীক। যে কারনে নির্বাচনে তিনি এবং তাঁর দল লাভ করেছিল নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা। কিন্তু পাকিস্তানের নেতাগণ তাঁকে ক্ষমতায় যেতে দিতে চায়নি। কারণ তারা জানত শেখ মুজিবকে ক্ষমতা দিলে তারা আর পূর্ব বাংলাকে শোষণ করতে পারবে না। তাই তারা মুজিবকে ২৫শে মার্চ রাতের বেলা গ্রেপ্তার করল এবং পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে বন্দী করে রাখল। বাংলার মানুষের স্বশাসনের দাবির বিনিময়ে তারা বুলেট ছুঁড়ে জবাব দিল। পশ্চিম পাকিস্তানিরা এবং তাদের এদেশীয় দোসররা ভেবেছিল বাঙালি জাতিকে এভাবে দমিয়ে রাখা যাবে। তাদের সেই ধারণা ভাঙতে বেশি সময় লাগেনি। বঙ্গবন্ধু ২৫শে মার্চ রাতেই স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন এবং তাজউদ্দিন আহমদ সহ অন্যদের নির্দেশ দিলেন কিভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর সেই আদেশ দৃঢ়তার সাথে পালন করল এবং মাত্র নয় মাসে প্রিয় মাতৃভূমি শত্রুমুক্ত হল।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বে নেতৃত্বদানের এই একক কৃতিত্ব জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী ছিলেন। এজন্য অপশক্তি, স্বাধীনতাবিরোধীরা বলে থাকে মুজিব মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেননি এবং স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। বাংলাদেশের জনগণের বেশ বড় একটা অংশ স্বাধীনতাবিরোধীদের আরও অনেক মিথ্যা অপপ্রচারের সাথে এটিও বিশ্বাস করেছে। কিন্তু প্রকৃত সত্য হল মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং সমগ্র মুক্তিযুদ্ধ চলেছিল তাঁরই নামে।
বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ নামটির সাথে আষ্ট্রেপিষ্ঠ্রে জডিয়ে আছেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের আগে থেকে তিনি রাজনীতি করেছেন এবং পুরো পাকিস্তান আমলে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের উপর বিভিন্ন শোষণ, নির্যাতন, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন এসবের বিরুদ্ধে রাজনীতি করেছেন। তাঁর জীবনের অনেকটা সময় তিনি কারাগারে অতিবাহিত করেছেন। জনগণের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে তাঁর সংগ্রাম সব সময় অব্যাহত ছিল। আইয়ুবের মত লৌহমানবও তাঁর কাছে পরাজয় মেনে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিল।
১৯৭০ সালের সাধারন নির্বাচনের সময় বঙ্গবন্ধু ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের সাড়ে সাত কোটি মানুষের ইচ্ছা এবং আকাংখার প্রতীক। যে কারনে নির্বাচনে তিনি এবং তাঁর দল লাভ করেছিল নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা। কিন্তু পাকিস্তানের নেতাগণ তাঁকে ক্ষমতায় যেতে দিতে চায়নি। কারণ তারা জানত শেখ মুজিবকে ক্ষমতা দিলে তারা আর পূর্ব বাংলাকে শোষণ করতে পারবে না। তাই তারা মুজিবকে ২৫শে মার্চ রাতের বেলা গ্রেপ্তার করল এবং পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে বন্দী করে রাখল। বাংলার মানুষের স্বশাসনের দাবির বিনিময়ে তারা বুলেট ছুঁড়ে জবাব দিল। পশ্চিম পাকিস্তানিরা এবং তাদের এদেশীয় দোসররা ভেবেছিল বাঙালি জাতিকে এভাবে দমিয়ে রাখা যাবে। তাদের সেই ধারণা ভাঙতে বেশি সময় লাগেনি। বঙ্গবন্ধু ২৫শে মার্চ রাতেই স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন এবং তাজউদ্দিন আহমদ সহ অন্যদের নির্দেশ দিলেন কিভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর সেই আদেশ দৃঢ়তার সাথে পালন করল এবং মাত্র নয় মাসে প্রিয় মাতৃভূমি শত্রুমুক্ত হল।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন